সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ০৯:৪২
ইরানের সীমান্তজুড়ে সেনাবাহিনীর স্থলবাহিনী মোতায়েন, সর্বোচ্চ প্রস্তুতি

ইরানের সেনাবাহিনীর স্থলবাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী জাহানশাহী বলেছেন, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় স্থলবাহিনীর ইউনিটগুলো কার্যকরভাবে মোতায়েন রয়েছে এবং সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।

হাওজা নিউজ এজেন্সি: সেনাবাহিনীর ১১তম যৌথ মৌলিক যুদ্ধ প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানের অবকাশে তিনি এসব কথা বলেন।

জেনারেল জাহানশাহী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি যুদ্ধ শুরুর আগেই ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সেনাবাহিনীর স্থলবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছিল। বর্তমানে স্থলবাহিনীর অধিকাংশ ইউনিট দেশের উত্তর-পশ্চিম, পশ্চিম, দক্ষিণ-পশ্চিম, পূর্ব, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে অবস্থান করছে। বিশেষ করে মাকরান উপকূলে স্থলবাহিনীর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। এসব ইউনিট অত্যন্ত ভালো প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে।

তিনি জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ বাহিনী, দ্রুত প্রতিক্রিয়া ইউনিট, বিশেষ অভিযান পরিচালনাকারী ইউনিট, যান্ত্রিক ও আর্টিলারি ইউনিটসহ স্থলবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট মোতায়েন রয়েছে এবং তারা প্রয়োজনীয় সহায়তাও পাচ্ছে।

জেনারেল জাহানশাহী বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলো থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্থলবাহিনীকে আরও চটপটে, গতিশীল, দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল ও বহুমুখী সক্ষমতাসম্পন্ন বাহিনীতে রূপান্তরের চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে সম্ভাব্য শত্রু হুমকি কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায়।

তিনি বলেন, বর্তমানে ইরানের সেনাবাহিনীর স্থলবাহিনীর ইউনিটগুলো দেশের সীমান্তে কার্যকর উপস্থিতি বজায় রেখেছে এবং যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। তাঁর মতে, সীমান্তে এই সামরিক উপস্থিতি প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করেছে।

জেনারেল জাহানশাহী দাবি করেন, ইরানের সীমান্তে স্থলবাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতির কারণে শত্রুপক্ষ দেশের সীমান্তে কোনো সামরিক অভিযান বা হামলা চালানোর সাহস করছে না।

তিনি আরও বলেন, ইরানের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনীর স্থলবাহিনী দেশের সীমান্তে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতি বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছে।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha